
ফরিদপুরের সিএন্ডবি ঘাট পতিতা পল্লী থেকে ঝিনাইদাহের একটি স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে ফরিদপুর নৌ পুলিশ।
ঘটনার সূতপাত সকালে, প্রতিদিনের মতোই বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয় মা ও মেয়ে। মেয়েকে স্কুলে দিয়ে মা বাসায় চলে আছে। মেয়েটি কাওকে কিছু না বলে বিদ্যালয় থেকে বের হয়ে পরিচিত এক লোকের সাথে ফরিদপুর চলে আছে। পরিচিত লোক তাকে কৌশলে ফরিদপুর সিএন্ডবি ঘাট পতিতা পল্লীতে নিয়ে আসে। মেয়েটি কিছুই বুঝতে না পারায় তার ভিতরে সন্ধেহ জাগে এবং পতিতা পল্লীর এক মহিলাকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারে এই জায়গাটি একটি পতিতালয়।
কোতোয়ালি নৌ ফাড়ির সামনে যৌন কর্মী ও মেয়েটির কথা বার্তা সন্দেহ মনে হলে তাৎক্ষণিক ভিকটিমকে উক্ত যৌন কর্মীসহ ফাড়িতে নিয়ে যায় এবং ভিকটিমের কাছে সব শোনার চেষ্টা করে নৌ পুলিশ কিন্তু মানষিক ভাবে ভেঙে পড়াই মেয়েটি কিছুই বলতে পারেনা। কোনো ফোন নম্বরই বা ঠিকানা বলতে পারেনা এবং তার সাথে কোনো ফোনও ছিল না । বিষয়টি পুলিশ সুপার (নৌ-পুলিশ) মহোদয়কে অবহিত করে তার নির্দেশে পরবর্তীতে বিভিন্ন ভাবে কথা বলে তার এক পরিচিত ভাই এর সন্ধান পায় ফরিদপুর নৌ-পুলিশ এবং ঝিনাইদহ থানা পুলিশের মাধ্যমে ঝিনাইদহের স্থানীয় একজন সন্মানিত ব্যাক্তির সহায়তায় তার পরিচয় সনাক্ত করে।
পরে জানা যায় মেয়েটির বাবা একজন প্রবাসী ও মা গৃহিনী। পরবর্তীতে এনজিও কর্মীর সম্মুখে তার মায়ের জিম্মায় মেয়েকে প্রদান কর হয়।
উক্ত ঘটনার অবলম্বনে ঝিনাইদহ থানায় মামলা করা হয় এবং এর সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানায় কর্মরত অফিসার।